স্বর্ণ আমদানির লাইসেন্স পেল ১৮ প্রতিষ্ঠান

স্বর্ণ আমদানির ডিলারশিপের জন্য একটি ব্যাংকসহ ১৮ প্রতিষ্ঠানকে লাইসেন্স দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। প্রাথমিকভাবে দু’বছরের জন্য এ লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে। পরবর্তী সময়ে এসব প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমের সন্তুষ্টিরভিত্তিতে লাইসেন্স নবায়নের সিদ্ধান্ত হবে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকে রোববার প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিদের হাতে ডিলারশিপের অনুমোদনের কপি হস্তান্তর করা হয়।

সংশ্নিষ্টরা জানান, স্বর্ণ আমদানির সুযোগ থাকলেও স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে এখন পর্যন্ত কেউ এক ছটাক স্বর্ণও আমদানি করেননি। অভ্যন্তরীণ চাহিদার বড় অংশ মেটানো হয় চোরাকারবারির মাধ্যমে কিংবা লাগেজ ঘোষণার আওতায়। এতে বিপুল অংকের রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার। এরকম পরিস্থিতিতে বিভিন্ন পক্ষের মতামতের ভিত্তিতে স্বর্ণ আমদানির জন্য ডিলারশিপের লাইসেন্স দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

নির্দিষ্ট নীতিমালার আওতায় লাইসেন্সের জন্য আবেদন চেয়ে গত ১৯ মার্চ বিজ্ঞপ্তি দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। পাঁচ লাখ টাকার অফেরৎযোগ্য ব্যাংক ড্রাফটসহ ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে এ আবেদন করতে বলা হয়। ওই দিন পর্যন্ত দু’টি ব্যাংকসহ মোট ৪৭টি প্রতিষ্ঠান আবেদন করে। যাচাই-বাছাই শেষে এদের মধ্য থেকে ১৮টি প্রতিষ্ঠানকে ‘গ্লোল্ড ডিলার লাইসেন্স’ দেওয়া হয়েছে।

আবেদনকারী সব প্রতিষ্ঠানকে লাইসেন্স না দেওয়ায় এ মুহূর্তে লাইসেন্স পাওয়া প্রতিষ্ঠানের নাম প্রকাশ করতে চাচ্ছে না কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, লাইসেন্স পাওয়ার তালিকায় রয়েছে মধুমতি ব্যাংক। এ ছাড়া ভেনাস জুয়েলার্স, ডায়ামন্ড ওয়ার্ল্ড, শারমিন জুয়েলার্স, আমীন জুয়েলার্সসহ বাকিগুলো সব স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের প্রতিষ্ঠান।