চর দখল নিয়ে সংঘর্ষে নিহত বেড়ে ৬, সেই ‘কোপা’ সামছুর মরদেহ উদ্ধার
নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় চর দখলকে কেন্দ্র করে আধিপত্য বিস্তারের বিরোধে আলাউদ্দিন ও সামছু বাহিনীর ওরফে কোপা সামছু বাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনায় এবার সামছুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ নিয়ে এই ঘটনায় ৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হলো।
বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর ) সন্ধ্যায় চরের বনের ভেতর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। হাতিয়া থানার ওসি মো. সাইফুল আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিহত সামছুদ্দিন হাতিয়া উপজেলার জাহাজমারা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা ছিলেন। তিনি চর এলাকায় বিভিন্ন সন্ত্রাসী কার্যক্রমে জড়িত ছিলেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। হাতিয়ার চরাঞ্চলে তিনি কোপা সামছু ও সামছু বাহিনীর প্রধান হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
এই ঘটনায় নিহতদের মধ্যে বাকিরা হলেন- হাতিয়ার সুখচর ইউনিয়নের চর আমানউল্যাহ গ্রামের মহিউদ্দিনের ছেলে বাহিনীর নেতা মো. আলাউদ্দিন (৩৫), চানন্দী ইউনিয়নের নলের চরের সেকু মিয়ার ছেলে কামাল উদ্দিন (৪০), হাতিয়া পৌরসভার পশ্চিম লক্ষিদিয়া এলাকার শাহ আলমের ছেলে হক সাব (৫৫) এবং সুবর্ণচর উপজেলার দক্ষিণ চর মজিদের জয়নাল আবেদিনের ছেলে আবুল কাশেম (৬২) এবং সামছুদ্দিনের ছেলে মোবারক হোসেন সিহাবের (২৩)।
উল্লেখ্য, এর আগে হাতিয়ার সুখচর ইউনিয়নের জাগলার চরের দখল নিয়ে মঙ্গলবার সকাল থেকে দিনভর সামছু বাহিনী ও আলাউদ্দিন বাহিনীর মধ্যে গোলাগুলি ও ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে উভয়পক্ষের অন্তত ৫ জন নিহত এবং ১০ জনের বেশি আহতের খবর পাওয়া যায়। সংঘর্ষের পর ঘটনাস্থল থেকে পাঁচজনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তবে বাহিনীর নেতা সামছুদ্দিন ওরফে কোপা সামছুর অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছিল না। ওই পরিস্থিতিতে সামছুর পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছিল, হত্যার পর তার মরদেহ গুম করা হয়েছে। সবশেষ চরের বনের ভেতর থেকে তার মরদেহ উদ্ধারের কথা জানালো পুলিশ। -দৈনিক ইত্তেফাক

