জামিনপ্রাপ্ত ৪২৬ দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী তৎপর
পালটে গেছে ঢাকার অপরাধ জগতের সমীকরণ। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর একে একে জামিন পায় শীর্ষ সন্ত্রাসীরা। এদের মধ্যে আছে মগবাজারের আরমান, মিরপুরের আব্বাস, মোহাম্মদপুরের পিচ্চি হেলাল, বাড্ডার ফ্রিডম রাসু, হাজারীবাগের সানজিদুল ইসলাম ইমন প্রমুখ। এছাড়া বিশেষ ক্ষমতা আইনে বন্দি থাকা ৪২৬ দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী জেল থেকে বেরিয়ে এসেছে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়। মুক্তি পেয়ে বেশির ভাগ সন্ত্রাসী পুরোনো আন্ডারওয়ার্ল্ড পুনর্গঠনে তৎপর হয়ে উঠে। আত্মগোপনে থাকা এসব সন্ত্রাসী এখন ঢাকার অপরাধ জগতের নতুন আতঙ্ক। তারা এখন এলাকাভিত্তিক নতুন সাম্রাজ্য গড়ে তুলছে। খবর সংশ্লিষ্ট সূত্রের।
সূত্র জানায়, শীর্ষ সন্ত্রাসীদের পাশাপাশি দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসীরা তাদের অনুসারীর মাধ্যমে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করছে। সক্রিয় করছে পুরোনো ক্যাডার বাহিনী ও শুটার গ্রুপকে। জমি দখল, চাঁদাবাজি এবং ঝুট ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে তাদের মধ্যে তৈরি হয়েছে অস্থিরতা। শীর্ষ সন্ত্রাসীরা হোয়াটসঅ্যাপ বা সিগন্যাল অ্যাপে বিদেশের নম্বর থেকে ফোন করে ব্যবসায়ীদের ভয় দেখায়। আর স্থানীয় সহযোগীরা টাকা সংগ্রহ করে।
এদিকে শীর্ষ সন্ত্রাসীরা গণহারে জামিন পাওয়ার পর ঢাকায় বেশ কয়েকটি লোমহর্ষক হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। ২০২৪ সালের ২০ সেপ্টেম্বর মোহাম্মদপুরের রায়েরবাজারে দুই যুবককে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় পিচ্চি হেলাল বাহিনী জড়িত বলে তদন্তে বেরিয়ে এসেছে। গত বছরের ১৭ নভেম্বর মিরপুরের পল্লবীতে যুবদল নেতা গোলাম কিবরিয়া হত্যার পেছনে এসেছে সন্ত্রাসী মফিজুর রহমান মামুনের নাম। ওই বছরের ১০ নভেম্বর আদালতপাড়ায় শীর্ষ সন্ত্রাসী তারিক সাঈদ মামুন হত্যাকাণ্ডের পেছনে আরেক শীর্ষ সন্ত্রাসী কিলার ইমনের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে। ২৯ এপ্রিল নিউমার্কেট এলাকায় গুলিতে নিহত হন শীর্ষ সন্ত্রাসী খন্দকার নাঈম আহমেদ টিটন। তিনি আরেক শীর্ষ সন্ত্রাসী সানজিদুল ইসলাম ইমনের শ্যালক। টিটন হত্যাকাণ্ডে ইমনসহ একাধিক শীর্ষ সন্ত্রাসীর নাম আলোচনায় এসেছে।
শীর্ষ সন্ত্রাসীদের অপতৎপরতা ও সবশেষ অবস্থান নিয়ে সরকারের উচ্চপর্যায়ে সম্প্রতি প্রতিবেদন জমা দিয়েছে একটি গোয়েন্দা সংস্থা। প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, রাজধানীর তেজগাঁও, ফার্মগেট ও কাওরান বাজার এলাকা নিয়ন্ত্রণ করছে জামিনপ্রাপ্ত একজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। তার বিরুদ্ধে ৯টি হত্যা মামলাসহ গুরুতর অপরাধের অন্তত ২২টি মামলা হয়েছিল। এসব মামলায় দীর্ঘ ২৭ বছর সে কারাগারে ছিল। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে সে গাজীপুরের কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পায়। কাওরান বাজারের কাঁচামালের আড়ত, তেজগাঁও শিল্পাঞ্চলের ঝুট এবং রেলওয়ের ওয়াগন থেকে পণ্য চুরির সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করে এই শীর্ষ সন্ত্রাসীর অনুসারীরা। তেজগাঁওয়ের বেগুনবাড়ী এবং কুনিপাড়া এলাকাতেও সক্রিয় এই বাহিনীর সদস্যরা। তারা স্থানীয় রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় ‘পার্টনারশিপ’ মডেলে চাঁদাবাজি চালাচ্ছে।
প্রতিবেদনের তথ্য বলছে, আব্বাস আলী ওরফে কিলার আব্বাসের নিয়ন্ত্রণে আছে মিরপুর, কাফরুল, কচুক্ষেত ও ইব্রাহিমপুর এলাকা। ঢাকা জেলা জজ আদালত ভবনের সামনে এবং কচুক্ষেতে প্রকাশ্যে ব্যবসায়ী খুনসহ অন্তত ৬টি হত্যা মামলা ছিল তার নামে। সব মিলিয়ে তার নামে মামলা ছিল প্রায় এক ডজন। ২০০৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে গ্রেফতারের পর ২১ বছর কারাগারে ছিল। কারাগারে বসেই সে মিরপুরের অপরাধজগৎ নিয়ন্ত্রণ করত বলে অভিযোগ আছে। ২০২৪ সালের ১৩ আগস্ট সে জামিনে মুক্তি পায়। এরপর সে দেশ ছেড়েছে। তবে গভীর আত্মগোপনে থাকা অবস্থায় সে যুগান্তরকে বলে, ‘আমি চিকিৎসার জন্য থাইল্যান্ডে আছি। আমার বিরুদ্ধে যেসব মামলা হয়েছিল সবই রাজনৈতিক ও ষড়যন্ত্রমূলক। কোনো ধরনের অপরাধ বা সন্ত্রাসী কার্যক্রমে আমার সংশ্লিষ্টতা নেই।’
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মোহাম্মদপুর ও ধানমন্ডি এলাকার নিয়ন্ত্রণে আছে শীর্ষ সন্ত্রাসী ইমামুল হাসান হেলাল ওরফে পিচ্চি হেলাল বাহিনী। হেলালের বিরুদ্ধে ৪টি হত্যা মামলাসহ ৮টি গুরুতর মামলা ছিল। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ২৩ শীর্ষ সন্ত্রাসীর তালিকায় ছিল তার নাম। ২০০১ সালে সে ডিবির হাতে গ্রেফতার হয়। প্রায় ২৩ বছর পর ২০২৪ সালের ১৫ আগস্ট সে জামিনে মুক্তি পায়। এর পরপরই মোহাম্মদপুর এলাকায় অপরাধমূলক তৎপরতা এবং জমি দখল-চাঁদাবাজির ঘটনা বেড়ে যায়। মাদক কারবার, লেগুনা ও বাস স্ট্যান্ডের জিপি (গেট পাশ) আদায় এবং জেনেভা ক্যাম্পে আধিপত্য বিস্তারে লিপ্ত হয় হেলাল বাহিনীর সদস্যরা। তাদের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে জেনেভা ক্যাম্পের বেশ কয়েকজন অস্ত্রধারী মাদক কারবারি। তারা স্থানীয় হাউজিং কোম্পানিগুলোর কাছ থেকে ‘প্রজেক্ট সাইন’ বাবদ মোটা অঙ্কের চাঁদা আদায় করছে।
শীর্ষ সন্ত্রাসী খোরশেদ আলম রাসু ওরফে ফ্রিডম রাসুর অপতৎপরতা ধানমন্ডি, কলাবাগান ও বাড্ডা এলাকায় বেশি। ১৯৮৯ সালে ধানমন্ডিতে শেখ হাসিনার বাসভবনে হামলা এবং পুলিশ কর্মকর্তা হত্যাসহ অন্তত ১৩টি মামলা ছিল তার নামে। সে ‘ফ্রিডম পার্টি’র ক্যাডার ছিল। দুই দশকেরও বেশি সময় কারাবন্দি থাকার পর ২০২৪ সালের ১২ আগস্ট সে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পায়।
ধানমন্ডি, কলাবাগান ও জিগাতলা এলাকায় সন্ত্রাসী কার্যকলাপের অভিযোগ সানজিদুল ইসলাম ইমন ওরফে কলাবাগান ইমনের বিরুদ্ধে। চিত্রনায়ক সোহেল চৌধুরী হত্যা মামলা এবং বহুল আলোচিত ট্রানজিট গালিব হত্যা মামলার অন্যতম আসামি ইমন। ২০০৮ সালে ভারত থেকে তাকে গ্রেফতার করে ঢাকায় আনা হয়। ২০২৪ সালের ১৪ আগস্ট সে জামিনে কারামুক্ত হয়। মুক্তি পেয়েই পুরোনো সিন্ডিকেট পুনর্গঠনের চেষ্টায় সক্রিয় হয়। গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী, ইমন বাহিনী রেস্টুরেন্ট, শোরুম ও ফ্ল্যাট নির্মাণে নীরব চাঁদাবাজি করছে। নতুন কোনো বহুতল ভবন নির্মাণ করতে গেলে ইমনের লোকজনকে বিশাল অঙ্কের ‘টোকেন মানি’ দিতে হচ্ছে।
খন্দকার নাঈম আহমেদ টিটনের নিয়ন্ত্রিত এলাকা ছিল রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট, গুলশান ও বনানী। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকার ২ নম্বর শীর্ষ সন্ত্রাসী ছিলেন টিটন। তার বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি হত্যা ও অস্ত্র মামলা ছিল। ২০০৩ সালের ডিসেম্বরে ডিবির হাতে পিস্তলসহ গ্রেফতার হয়। দীর্ঘ ২১ বছর পর ২০২৪ সালের ১২ আগস্ট কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি জেল থেকে জামিনে মুক্তি পায়। ২৯ এপ্রিল সে সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মিরপুর-পল্লবী এলাকার শীর্ষ সন্ত্রাসী মফিজুর রহমান মামুন বর্তমানে দুবাইয়ে পলাতক রয়েছে। তার বিরুদ্ধে ২৭টি মামলা রয়েছে। দুবাইয়ে বসেই সে পল্লবীর ঝুট ব্যবসা, ডিশ ব্যবসা ও ফুটপাত থেকে কোটি কোটি টাকার চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণ করছে। সাম্প্রতিক সময়ে মিরপুর এলাকায় তার গ্রুপের সঙ্গে স্থানীয় প্রতিপক্ষ গ্রুপের বেশ কয়েকটি রক্তাক্ত সংঘর্ষ ও খুনের ঘটনা ঘটেছে। পল্লবী ও মিরপুর এলাকায় মামুনের পক্ষে মাঠ নিয়ন্ত্রণ করছে তার ভাইসহ যুবদলের পদধারী কয়েকজন বিতর্কিত নেতা। তারা বিহারি ক্যাম্পের একাংশ এবং ইস্টার্ন হাউজিং এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে। অন্যদিকে, আব্বাসের দীর্ঘদিনের বিশ্বস্ত সহযোগীরা কাফরুল, কচুক্ষেত ও ইব্রাহিমপুর এলাকায় পুরোনো চাঁদাবাজি সিন্ডিকেট পুনরুজ্জীবিত করেছে।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, বাড্ডা ও রামপুরা এলাকা সব সময়ই আন্ডারওয়ার্ল্ডের জন্য একটি লোভনীয় জোন। এখানে ফ্রিডম রাসু এবং দুবাইয়ে পলাতক জিসানের সহযোগীরা আধিপত্য বিস্তারের লড়াইয়ে লিপ্ত। এই দুটি গ্রুপ আফতাবনগর ও ডিআইটি প্রজেক্টের বালু ভরাট, ঝুট ব্যবসা, নতুন আবাসন প্রকল্পের জমি দখল এবং অভিজাত এলাকার ব্যবসায়ীদের হুমকি দেয়। বাড্ডার সাঁতারকুল ও বেরাইদ এলাকায় ফ্রিডম রাসুর ভাগনে ও পুরোনো ফ্রিডম পার্টির কিছু ক্যাডার আবার সক্রিয় হয়েছে। তারা স্থানীয় ব্যবসায়ী এবং ইট-বালু সরবরাহকারীদের কাছ থেকে জোরপূর্বক কমিশন আদায় করছে। পাশাপাশি জিসানের ‘কন্ট্রাক্ট শুটার’রা গুলশান-বনানীর বড় বড় ব্যবসায়ী ও ডেভেলপার কোম্পানিগুলোকে দুবাই ও মালয়েশিয়ার নম্বর থেকে ফোন করে হুমকি দিচ্ছে।
আরও যারা জামিন পেয়েছে : ইমন বাহিনীর অন্যতম শুটার ও প্রধান সহযোগী মোহাম্মদ হোসাইন মিথুন। ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর জামিনে মুক্ত হয়। সে একটি ছাত্রসংগঠনের পদ ব্যবহার করে ইমনের পক্ষে ধানমন্ডি ও নিউমার্কেট এলাকায় চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারের কাজ করছিল। কিছুদিন আগে নিউমার্কেটে এক ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে জখম করার ঘটনায় নিউমার্কেট থানার সামনে ইমনের সহযোগীরা তাকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টাও করেছিল (পরবর্তীতে তাকে পুনরায় গ্রেফতার করা হয়েছে)। ইমন বাহিনীর সাবেক সেকেন্ড-ইন-কমান্ড এজাজ বিন আলম। দীর্ঘদিন ইমনের অনুপস্থিতিতে মাঠপর্যায়ে নেতৃত্ব দেওয়া এজাজ অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জামিনে মুক্ত হয়। কারাগার থেকে বের হওয়ার পর ধানমন্ডি ও জিগাতলা এলাকায় তার পুরোনো ক্যাডারদের পুনরায় সংগঠিত করার চেষ্টা করছে সে। শীর্ষ সন্ত্রাসী পিচ্চি হেলাল বাহিনীর ক্যাডার রায়েরবাজারের কাইল্লা সুমন ও পিচ্চি রাজু। ২০২৪ সালের আগস্টে পিচ্চি হেলালের মুক্তির পরপরই মাঠপর্যায়ের সহযোগীরা জামিনে বেরিয়ে আসে। কিলার আব্বাসের ক্যাডার হিসাবে পরিচিত ভাগনে রাসেল ও শুটার রনি। আব্বাস জামিনে মুক্ত হয়ে আড়ালে চলে গেলেও চাঁদাবাজির খাতা সচল রাখতে গত বছর জামিন পাওয়া এই দুই সহযোগী মাঠপর্যায়ে কাজ করছে।
ডিএমপি কমিশনারের বক্তব্য : শীর্ষ সন্ত্রাসী ও দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসীদের অপতৎপরতার বিষয়ে জানতে চাইলে সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদ বলেন, তাদের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান শুরু হয়েছে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানের পর দীর্ঘদিন কারাগারে থাকা অনেক শীর্ষ সন্ত্রাসী জামিনে মুক্তি পেয়েছে। তাদের মধ্যে কেউ কেউ স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার চেষ্টা করছে। আবার অনেকে অপরাধজগতে সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করছে। যারা আবার অপরাধজগতে সক্রিয় হচ্ছে, অপরাধী চক্রকে পুনর্গঠনের চেষ্টা করছে, তাদের অবশ্যই গ্রেফতার করা হবে। এসব অপরাধী ও তাদের সহযোগীদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
আদালত আদালতের কাজ করেছেন, আমরা আমাদের কাজ করব-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী : এ বিষয়ে যুগান্তরের এক প্রশ্নের জবাবে মঙ্গলবার বিকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ শীর্ষ সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আমাদের কাছে শীর্ষ সন্ত্রাসী বা ক্ষুদ্র সন্ত্রাসী বলে কিছু নেই। কেউ অপরাধ করলে তাকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে। তিনি আরও বলেন, ‘জামিন দেওয়া আদালতের এখতিয়ার। আদালত আদালতের কাজ করেছেন, আমরা আমাদের কাজ করব।’ -দৈনিক যুগান্তর

